Saturday, October 8, 2011

সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ : “রিলেটেড পোস্ট” (পর্ব ২)

আজ আবারও আপনাদের কাছে নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।  গত পর্বে আমি দেখিয়ে ছিলাম কিভাবে আপনার ব্লগে পেজ ন্যাভিগেশন মেন্যু যোগ করবেন তা। আজ আমি দেখাবো কিভাবে আপনার ব্লগে খুব সহজে রিলেটেড পোস্ট অপশন যোগ করবেন। পুরাতন ব্লগাররা ব্যপার টা জানেন কিন্তু অনেক নতুন ব্লগার আছেন যারা মাত্র শুরু করেছেন। আর তাদেরকে উদ্দেশ্য করেই আমার আজকের এই পোস্ট টা।এটি খুব সহজেই করা যায়। আসুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে কি করতে হবে…
১) প্রথমে আপনার ব্লগার.কম এ সাইন ইন করে ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করে Layout >Page elements এ গিয়ে Add Gadget এ ক্লিক করুন।
২) তারপর কোডিং বসানোর জন্য HTML/ Javascript এ ক্লিক করুন। তার পর বক্সে নিচের কোডটুকু কপি করে নিয়ে পেস্ট করে দিন। গেজেটটি সাইডবার বা পোস্টের নিচে বা ফুটার যেখানে খুশি রাখতে পারেন, যে খানেই রাখেন না কেন ঠিকমতোই কাজ করবে।
<script src=”http://ajax.googleapis.com/ajax/libs/jquery/1.3.2/jquery.min.js” type=”text/javascript”></script> <script src=”http://blogger-related-posts.googlecode.com/files/related-posts-widget-1.0.js” type=”text/javascript”></script> <script type=”text/javascript”> relatedPostsWidget({ ‘containerSelector’:'div.post-body’ ,’loadingText’:'Loading Related Posts…’ });</script>
৪) এবার সেইভ করুন।
এবার প্রতিটি পোস্টের নিচের ছবিটার মতোই ৫টি একই রকম রিলেটেড পোস্ট দেখা যাবে।
এই রিলেটেড পোস্ট অংশটিকে আপনি চাইলে একটু রঙিন করে তুলতে পারেন। না করলেও কোন অসুবিধা নেই। আচ্ছা চলুণ দেখে নেই কিভাবে রঙ্গিন করতে হবে…
সেক্ষেত্রে Layout > Edit HTML অংশে গিয়ে cont+F চেপে  ]]></b:skin> এই কোড টুকু খুঁজে বের করুন। পেয়ে গেলে এই কোড টার ঠিক উপরে নিচের কোডটুকু কপি করে নিয়ে পেস্ট করে দিন।
#related-posts{
margin:4px;
padding:10px;
}
#related-posts h2{
background: #BDEDFF;
color: #000000;
}
#related-posts ul{
background: #e0ffff;
color: #2008AF;
font-size: 12px;
}
#related-posts-loadingtext{
color:#ff0000;
}
Save Template এ ক্লিক করে টেম্পেলেট টি সেভ করুন।
এবার দেখুন তো পোস্টের নিচের “রিলেটেড পোস্ট” অংশটুকু কেমন কাজ করছে।

খুব সহজ না, এটি করা। চেষ্টা করেন পারবেন। আর আপনার কাজে লাগলে আমার পোস্টটি সার্থক হবে।
ভাল লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু। আর সমস্যা হলেও আমাকে জানাবেন।
সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভালবাসাসহ আপনাদেরই মাহ মুদুল হাসান প্রিন্স।

সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পট ব্লগ : পেজ ন্যাভিগেশান মেন্যু (পর্ব ১)

Tuesday, October 4, 2011

বাংলাদেশি ডেভেলোপার দ্বারা তৈরি অপেক্ষাকৃত দ্রুত ও সহজ Web Browser “Bee”

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন আপনারা ? নিশ্চয়ই ভালো। আমিও বেশ আছি। আর্নট্রিক্স এ এটা আমার প্রথম পোস্ট। আজ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো বাংলাদেশী এক প্রযুক্তি প্রেমি দ্বারা তৈরি একটা Web Browser যা কিনা অপেক্ষাকৃত দ্রুত লোড হয় এবং অপারেটিং সিস্টেম ও খুব সহজ। আর এই ব্রাউজার এর নাম হচ্ছে Bee Web Browser। চলুন এর বৈশিষ্ট গুলো জেনে নেই।
Bee Web Browser  সবচেয়ে সহজ আর দ্রুত একটি Web Browser. কিছু দিন আগে Bee Web Browser এর 1.21 Version বের হয়েছিল যার বেশ কিছু সমস্যা ছিল। সেই সব সমস্যা সমাধান করে এবং আরও দ্রুত গতি নিয়ে বের হলো Bee Web Browser – V – 2.00
Bee Web Browser এর কিছু বৈশিষ্ট্যঃ
  • *অন্য যে কোন Browser এর চেয়ে সহজ একটি Browser.
  • *অন্য যে কোন Browser এর চেয়ে দ্রুত Page Load হয়।
  • *এটি পরিচালনার জন্য RAM এর খুবই কম জায়গা খরচ হয়।
  • *খুব প্রয়োজনীয় Web Site গুলো এক ক্লিকে অতি দ্রুত Load হয়।
  • *এর Size অন্যদের তুলনায় অনেক ছোট।
  • *একাধিক Tab ব্যবহার করা যায়।
  • *Drop Down Address লিস্ট এর সুবিধা।
  • *Google, Yahoo, Wikipedia তে খুব সহজে Search এর সুবিধা।
  • *History দেখার সুবিধা।
  • *পছন্দ মতো Home Page Settings এর সুবিধা।
একবার হলেও ব্যবহার করে দেখেন।

এই Software টি আমার(রাহাত) নিজের তৈরি। আমি একাই এটা Develop করেছি। প্রোগ্রামিং, কোডিং এর কাজ বেশি ভালো পারি না তাই বিভিন্ন Web site এর tutorial দেখে অনেক কষ্ট করে কাজ টা করছি। Bee Web Browser টি ব্যবহার করতে গিয়ে যদি কেউ কোন সমস্যা বা কোন ভুল খুঁজে পান তবে আমাকে Email এর মাধ্যমে জানাবেন।
Download করুনঃ
Bee Web Browser – V – 1.21 (Past Version)
Bee Web Browser – V – 2.00  (New Version)

লেখাটি সর্বপ্রথম “মৌমাছি” তে প্রকাশিত। সময় থাকলে ঘুরে আসুন জানার আছে অনেক কিছু – মৌমাছি। আর ভালো লাগলে একটা FB Like দিতে ভুইলেন না - page.moumachibd.com
ধন্যবাদ।

গড়ে তুলুন নিজেকে একজন ওয়েব ডিজাইনার হিসাবে

কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালই আছেন, আমিও আপনাদের দোয়ায় ভাল আছি।
আজ অনেক দিন পর আমার প্রিয় অনলাইন সাপোর্ট ব্লগে পোস্ট করছি। আর একটি বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার না করলেই নয় যে, আনলাইন সাপোর্ট এর এলেক্সা রেংকিং ( বিডিতে এখন ২৪৮ আর ওয়ার্ল্ডে ১,৩৮,১১১ ) এতো দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে আমি অবাকই হয়ে যাচ্ছি। এবং আশাকরি এটিই হবে দেশের অন্যতম অনলাইনে আয় বিষয়ক সেরা বাংলা ব্লগ। আমাদের-আপ্নাদের-আর সবাই এই ব্লগ টি ভালো লাগলে আপনারা এই লিংকে গিয়ে একটি রিভিউ দিয়ে আসুন।

আপনারা সবাই দোয়া করবেন। যেন অনলাইনের আয় বিষয়ক আমাদের এই বাংলা ব্লগটা দেশের অন্যতম একটি সর্বজন স্বিকৃত বাংলা ব্লগ হতে পারে।
যাক এবার কাজের কথায় আসি,
বর্তমানে ওয়েব ডিজাইনিং সবার পছন্দের বিষয় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। এখানে নিজের ক্রিয়েটিভিটিকে কাজে লাগানোর যেমন সুযোগ রয়েছে তেমনি মাল্টিমিডিয়ার কাজ গুলোও আপনাকে এ পেশার প্রতি সহায়তা এবং সর্বোপরি  উৎসাহিত করবে। আর ইন্টারনেট যেহেতু সবচেয়ে দ্রুতগতিতে প্রসার লাভ করছে  সেহেতু এখানে ক্যারিয়ার ডেভেলপ করার সুযোগও অনেক বেশি।

ওয়েব ডিজাইনিং (গ্রাফিক্স ও মাল্টিমিডিয়া)

ওয়েব ডিজাইনিং অনেকটাই মাল্টিমিডিয়া সংশ্লিষ্ট হলেও এটি মাল্টিমিডিয়া এবং ইন্টারনেট  নেটওয়ার্কিংয়ের একটি সমন্বিত বিষয়। এখানে মাল্টিমিডিয়ার একটি বিরাট ভুমিকা রয়েছে।
ওয়েব ডিজাইনিংয়ের জন্য থাকতে হবে সৃষ্টিশীল মনন, দলগত দক্ষতা, যোগাযোগ সংশ্লিষ্টতা, প্রকল্প ও প্রয়োজনকে জানার ক্ষমতা, ইন্টারনেট সম্পর্কে আগ্রহ প্রভৃতি।

যা জানতে হবে

সাধারনত ওয়েব এ ক্যারিয়ার গড়তে এডবি ফটোশপ, ফ্ল্যাশ, ড্রিমওয়েভার, ডাইরেক্ট, জাভা, ফায়ার ওয়ার্কস, এডবি ইলাষ্ট্রেটর, কোরেল, এনিমেশন ষ্টুডিও ইত্যাদি।

ওয়েব মাষ্টার এবং ওয়েব ইঞ্জিনিয়ারিং

একজন টেকনোলজি এক্সপার্ট জানেন কীভাবে চাহিদা ও প্রয়োজন অনুসারে ওয়েব সাইট তৈরি করতে হয়। ওয়েব সাইট তৈরি করেই তিনি বসে থাকেন না, তিনি এর সব রেসপসিবিলিটি নেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন। যেমন-ওয়েব সাইটটির মেইনটেন্যাস, আপডেট, ট্রাবলশ্যুটিং ইত্যাদি সবই তার করতে হয়।
ওয়েব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য আপনার থাকতে হবে-প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার, অপারেটিং সিষ্টেম এবং প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে দক্ষতা, একটি ইঞ্জিনিয়ারিং মাইন্ড, ভালো সিষ্টেম, এডমিনিষ্ট্রেটর দক্ষতা এবং টেকনিক্যাল মাইন্ড। প্র্যাকটিক্যাল এক্সপেরিয়েস, হাইটেক ইন্ডাষ্ট্রির বর্তমান ট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা, ওয়েব সিকিউরিটি সম্পর্কে জ্ঞান, নেটওয়ার্ক কনসেপ্ট।
এছাড়াও আপনাকে জানতে হবে ঐঞগখ প্রোগ্রামিং, জাভা, জাভা স্ক্রিপ্ট, সিজিআই, এএসপি বা পার্ল ইউনিক্স এবং লিনাক্স এনভাইরনমেন্ট, উইন্ডোজ এনটি ইত্যাদি।
আপনাকে মনে রাখতে হবে, সব প্রোগ্রাম একসঙ্গে না জানলেও হবে, কিন্তু কিছু বেশি জিনিসের সঙ্গে এডভাসড দক্ষতার প্রয়োজন।

ডাটা বেইজ এডমিনিষ্ট্রেশন

ডাটাবেইজ এডমিনিষ্ট্রেশন পেশা হিসেবে খুব চাহিদাপুর্ণ। এই ক্যারিয়ারের একজন পেশাজীবীকে ডাটাবেইজের তথ্যকে শর্ট করা, কালেক্ট করা এবং রেকর্ড করার কাজটি করতে হয়। নিরাপদ একটি ডাটাবেইজ দাঁড় করতেও এর ভুমিকা অনস্বীকার্য।
এ কাজে আপনার থাকতে হবে-হাইলি অ্যানালিটিক্যাল মাইন্ড, ধৈর্য এবং টেকনিক্যাল কাজের প্রতি আগ্রহ, ষ্ট্যাটিসটিকাল ব্যাকগ্রাউন্ড।
আপনাকে আরো জানতে হবে-ওরাকল, মাইএসকিউএলসহ অন্যান্য প্রধান ডাটাবেইজ নলেজ। তবেই আপনি দক্ষ হিসেবে গড়ে উঠবেন।
তো আজ এই পর্যন্তই, দোয়া করবেন যাতে এবার পোস্ট নিয়ে ফিরে আসতে পারি। সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভালবাসাসহ আপনাদেরই প্রিন্স

শিখে নিন আর্নট্রিক্সে পোস্ট করা (মেগা পোস্ট)

বেশ কিছু দিন যাবত আমি কিছু মেইল পাচ্ছি। ঐ মেইল গুলোতে আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেছেন যে কিভাবে উনারা আর্নটিক্সে পোস্ট করবেন। আবার কেউ কেউ জানতে চেয়েছেন যে কিভাবে আমরা কোডিং গুলোকে পোষ্টে দেখাবো ! এমনি কোড দিলে কোড গুলো কাজ করছেনা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সেদিনও এক ভাই বললেন কিভাবে আপনাদের ব্লগে ছবি আপলোড করবো বুঝতে পারছিনা!  আর আমার মনে হয় যারা ওয়ার্ডপ্রেসে নতুন তাদের এই প্রবলেম টা প্রায়শই হচ্ছে। আর মূলত এই পোস্ট টা নতুন দের জন্য ই করা।  যাই হোক আমি আর কথা বাড়াতে চাই না আজকের পোস্ট টা করব কিভাবে আপনারা আর্নটিক্সে ব্লগে ছবি আপলোড করবেন, ছবি কে কিভাবে ফিচার্ড ইমেইজ হিসাবে দিবেন, কিভাবে লিংক করাবেন এবং আরও কিছু বিষয় নিয়ে। আশা করি নতুন যারা পোস্ট করতে চাচ্ছেন তাদের উপকারে আসবে। আসুন তবে শুরু করা যাক।
প্রথমে আপনার ইউজারনেম  ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নিন ( পোস্ট করতে হলে আপনাকে আবশ্যই রেজিস্টার মেম্বার হতে হবে, রেজিস্ট্রেশন করা না থাকলে ইউজারনেম – পাসওয়ার্ড দিয়ে এই লিংকে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিন ) এবং http://earntricks.com/wp-admin এই লিংকে ক্লিক করে আপনার ডেসবোর্ড  প্রবেশ করে বাম দিক এ Posts অপশন থেকে  Ad New এ ক্লিক করুন। এখন আপনার পোষ্ট টি করার জন্য নিচের ছবির মতন একটা পেজ আসবে।
ছবি বড় করে দেখতে ছবির উপর ডান বাটন ক্লিক করে নিউ ট্যাবে ওপেন করুন
তারপর নিচের চিত্রে দেখানো উপায়ে ১ম বক্সে আপনার পোষ্টের টাইটেল (Title) লিখুন এবং ২য় বক্সে আপনার সম্পুর্ণ পোস্ট টা লিখুন।
এখন আপনি আপনার লিখাটাকে আপনার প্রয়োজন মত  ইমেইজ, কোডিং, লিংক আরও অন্যান্য বিষয় (লেখা বোল্ড, নাম্বারিং, আন্ডারলাইন ইত্যাদি ) দিয়ে সাজিয়ে নিন। আর এগুলো সাজাতে আপনাকে পোষ্টের উপরের মেনু গুলোর ভালো ব্যাবহার জানতে হবে। আপনি যখন  Post > Add New এ ক্লিক করবেন তখন প্রথমে নিচের ছবির ১ এর মত মেনু বার পাবেন।কিন্তু এখানে আরও কিছু অপশন রয়েছে যা hidden থাকে।  নিচের চিত্রের ১ এ লক্ষ্য করুন। আর এই hidden অপশন গুলো পেতে আপনাকে চিত্র ১  এর লাল কালি দিয়ে মার্ক করা যায়গায় ক্লিক করতে হবে। দেখুন ক্লিক করার সাথে সাথে চিত্র ২ এর মতো এমন একটি নতুন বার পাবেন যেখানে আপনাকে আরও বেশ কিছু অপশন দেয়া হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
এখন আমরা কিছু গুরুত্বপুর্ণ বিষয় কিভাবে পোষ্টে এড করা যায় সেগুলো দেখবো…
  • কিভাবে আমরা পোষ্টে বিভিন্ন লিংক করবো
  • কিভাবে আমরা পোষ্টে ছবি আপলোড করবো
  • কিভাবে আমরা পোষ্টে H tag এর ব্যাবহার করবো
  • কিভাবে আমরা পোষ্টে text color পরিবর্তন করবো
  • কিভাবে আমরা পোষ্টে নাম্বারিং এবং বুলেট এড করবো
  • কিভাবে আমরা পোষ্টে বিভিন্ন কোডিং লিখবো
১। কিভাবে আমরা পোষ্টে লিংক করাবোঃ
আমাদের অনেক সময় পোস্ট লিখার সময় অন্য একটা পোষ্টের সাথে লিংক করানোর প্রয়োজন পরে কিংবা কোন গুরুত্বপুর্ণ শব্দের উপর লিংক দেয়ার প্রয়োজন পরে। এক্ষত্রে আপনার লেখাটা মার্ক করে নিচের চিত্রে দেখানে বারে ক্লিক করুন।
এখন নিচের চিত্রের মত একটা উইন্ডো ওপেন হবে। এখানে URL এ আপনাকে আপনার লিংক টা বসাতে হবে। আপনি চাইলে টাইটেল দিতে পারেন। এখন Open Link in a New Tab এ ক্লিক করে অপশনে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন। এবং  Add Link এ ক্লিক করুন ব্যাস কাজ শেষ।
২। কিভাবে আমরা পোষ্টে ছবি আপলোড করবো:
ছবি বা স্ক্রিন শট ছাড়া পোস্টিং এর কথা ভাবাই যায় না। আর এটা পোস্টিং এর অপরিহার্য একটা বিষয়। আসুন এখন জেনে নেই কিভাবে আমরা আর্নট্রিক্সে মানে এই ব্লগে ছবি আপলোড করবো। প্রথমে নিচের ছবি তে দেখানো জায়গায় ক্লিক করুন (মেনু অপশনের উপরে বাম দিক থেকে প্রথম টা )
এখন নিচের ছবির মতন একটা উইন্ডো ওপেন হবে ওখান থেকে select file এ ক্লিক করুন (যেহেতু আপনি আপনার পিসি থেকে আপনার ইমেইজ টা আপলোড করবে তাই আর বেশি কিছু করতে হবে না)
আপনি আপনার পিসির কোন ড্রাইভ থেকে ছবি আপলোড করতে চান সিলেক্ট করুন এবং সেখান থেকে ছবিটা কেও সিলেক্ট করে দিয়ে  নিচের ছবির মতন Open এ ক্লিক করুন
ছবি আপলোড হয়ে গেলো। এখন আপনাকে ছবির সাইজ, কোন দিকে বসবে, ক্যাপশন এবং এমন কি ছবির ডেসক্রিপশন সিলেক্ট করে দিতে হবে। আপনি আপনার পছন্দ মত সাইজ সিলেক্ট করুন আর যদি চান তবে বাই ডিফল্ট অপশন গুলো ই রেখে দিতে পারেন। এখন নিচের ছবিতে দেখানো insert into post অপশনে ক্লিক করুন।
ব্যাস আপনার কাজ শেষ ছবি পোষ্টে চলে আসলো। নিচের শট টি দেখুন। ঠিক এই ওয়েতেই আপনার যত খুশি ছবি এখন আপনি আপলোড করতে পারেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
৩। কিভাবে আমরা পোষ্টে H tag এর ব্যাবহার করবোঃ
আমাদের অনেক সময় পোস্ট করার সময় H tag (h1, h2, h3, h4, h5, h6 ) গুলোর ব্যবহার করতে হয়। আসুন দেখে নেই কিভাবে আমরা পোস্টে  H tag এর ব্যবহার করবো। পোষ্টের মেনু অপশন থেকে Paragraph এর উপর ক্লিক করে সিলেক্ট করে দিন কোন ট্যাগ টা ইউজ করতে চান। স্ক্রিন শট টি দেখুন।
৪। কিভাবে আমরা পোষ্টে text color পরিবর্তন করবোঃ 
পোষ্টের text color পরিবর্তন করার জন্য text  টুকু মার্ক করে পোষ্টের মেনু অপশন থেকে A চিহ্নিত বাটন এর উপর ক্লিক করে সিলেক্ট করে কোন color টা ইউজ করতে চান সেটা তে ক্লিক করুন। স্ক্রিন শট টি দেখুন।
৫। কিভাবে আমরা পোষ্টে নাম্বারিং এবং বুলেট এড করবোঃ
বুলেট অথবা নাম্বারিং এর সাথে আমরা সবাই পরিচিত কারন ms word এ আমাদের সব সময় ই এটা ব্যবহার করতে হয়। পোষ্টের কোন অংশে বুলেট অথবা নাম্বারিং দিতে text  টুকু মার্ক করে পছন্দ মত বুলেট/নাম্বারিং বাটনে ক্লিক করুন। নিচের স্ক্রিন শট টি দেখুন। ব্যাস হয়ে গেলো।
৬। কিভাবে আমরা পোষ্টে বিভিন্ন কোডিং লিখবোঃ
আমাদের পোস্ট করার সময় বিভিন্ন কোড দিতে হয়। আর এই কোড যদি এমনি দেয়া হয় তবে সেটা নষ্ট হয়ে যায় কারন ওটাতে ট্যাগ সাপোর্ট করে না। আর তাই এই কোড গুলো quote এর মধ্যে দিতে হয়। প্রথমে কোড টা বসিয়ে মার্ক করুন এবং নিচের দেখানো ছবির মত Block Quote এ ক্লিক করুন। ব্যাস হয়ে গেলো।
আপনি খুব সফল ভাবে আপনার পোস্ট টি সাজিয়ে ফেললেন এখন পোস্ট পাবলিশের পালা। পোস্ট পাবলিশ করার আগে আপনাকে পোস্ট Categories সিলেক্ট করতে দিতে হবে। এখন ডান দিকে  Categories থেকে আপনার পোস্ট বিভাগ মানে Categories সিলেক্ট করে দিন নিচের ছবির মত।
এখন আপনাকে পোষ্টের লেভেল বা ট্যাগ দিতে হবে। ডান দিকে Categories এর নিচে Post Tag অপশন টি পাবেন। আপনার পোষ্টের ট্যাগ গুলো দিয়ে দিয়ে লিখে ADD এ ক্লিক করুন। নিচের ছবির মতন।
আপনার পোষ্টের জন্য এখন একটা ফিচার্ড ইমেইজ যুক্ত করতে হবে। এখন প্রশ্ন ফিচার্ড ইমেইজ টা আবার কি ! নিচের স্ক্রিন শট টা দেখুন আশা করি বুঝতে পারবেন
এই মার্ক করা ইমেইজ গুলো ই হচ্ছে ফিচার্ড ইমেইজ। এটা যুক্ত করতে ডান দিকে Post Tag এর নিচে দেখুন Featured Image বার রয়েছে ওখান থেকে Set Featured Image এ ক্লিক করুন। নিচের ছবির মতন।
ইমেইজ আপলোড করার মত অপশন আসবে আপনার ফিচার্ড ইমেইজ টি পিসি থেকে আপলোড করে নিন। আপলোড হয়ে গেলে। নিচের স্ক্রিন এর মতো একটা পেজ আসবে ওখাণে আগের মতই  আপনাকে ছবির সাইজ, কোন দিকে বসবে, ক্যাপশন এবং এমন কি ছবির ডেসক্রিপশন সিলেক্ট করে দিতে হবে। আপনি আপনার পছন্দ মত সাইজ সিলেক্ট করুন আর যদি চান তবে বাই ডিফল্ট অপশন গুলো ই রেখে দিতে পারেন। এখন নিচের ছবিতে দেখানো Use as Featured Image  অপশনে ক্লিক করুন। নিচের ছবির মতন।

ব্যাস হয়ে গেলো ফিচার্ড ইমেইজ সেট। নিচের ছবিটি দেখুন
সব কাজ শেষ এখন পোস্ট পাবলিশ করা বাকী। আমাদের আর্নট্রিক্স এর নীতি অনুযায়ী প্রত্যেক পোস্ট ই রিভিউ তে থাকবে তাই আপনাদের ঘাবড়ানোর কোন কারন নাই। আপনাকে এখন পোস্ট টা পারবলিশের জন্য আমাদের নিকট সাবমিট করতে হবে। আর আমরা যথাসময়ে আপনাদের পোস্ট পাবলিশ করে দিবো। আসুন কিভাবে পোস্ট পাবলিশের জন্য রিভিউ তে দিবেন জেনে নেই। ডান দিকে সবার উপরে Publish নামে একটা অপশন আছে। ওখান থেকে প্রথমে Preview এ ক্লিক করে দেখে নিন কি রকম আসলো আপনার পোস্ট টা, যদি সব কিছু ঠিক থাকে তবে  Submit For Review তে ক্লিক করুন। নিচের স্ক্রিন শট টি দেখুন।
ব্যাস আপনার পোস্ট টি আমাদের কাছে চলে আসলো রিভিউ এর জন্য। আমরা আপনার পোস্ট টা কে ৩/৪ ঘণ্টার মধ্যে পাবলিশ করে দিবো। আশা করি পুরো ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন।
ধন্যবাদ সবাইকে পোস্ট টা পড়ার জন্য। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে পোস্ট টা আর তাতেই আমার ২ ঘণ্টার কষ্ট সফল হবে। তারপরও যদি কোন প্রবলেম হয় তবে কমেন্ট করে জানাবেন। খুব দ্রুত ই উত্তর পেয়ে যাবেন। ভালো থাকবেন সবাই।

দক্ষতা বাড়ান মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারে

কেমন আছেন সবাই ?
আশা করি সবাই ভালই আছেন ?

আপনার প্রিয় ব্রাউজার কি আমার মত মজিলা ফায়ারফক্স ?  যদি উত্তর হয় হ্যাঁ তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্য।
আমি আজ শেয়ার করবো মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারের শর্টকাট উপায়। অনেকেই এই সম্পর্কে জানেন , যারা জানেন না তাদের জন্য আমি এই টিউনটি শেয়ার করছি।

Address বার এর সহজ ব্যবহার :
আমরা সাধারণত Address বার এ গিয়ে কোন একটি ওয়েবসাইটের Address লিখতে গিয়ে পুরো Address টা লিখি। যেমন ধরুন আপনি ফেসবুক এর পেজটি দেখতে চাচ্ছেন। Address বারে www.facebook.com লিখলেন। এন্টার প্রেস করলেন, চলে আসলো facebook এর লগইন পেজটি। আপনি চাইলে পুরো Address টি না লিখে শুথুমাত্র facebook লিখে Ctrl + Enter প্রেস করেই স্বার্থ সিদ্ধি করতে পারেন। তাহলে যেটা হবে এর আগে পরে যা কিছু থাকে আপনাকে তা টাইপ করতে হবে না। এক্ষেত্রে বলে রাখা দরকার যে ডোমেইন . com  হলে “Ctrl + Enter, .net হলে “Sheft + Enter এবং .org হলে Ctrl + Shift + Enter” প্রেস করতে হবে।
বুকমার্কে কি ওয়ার্ড এর ব্যবহার:
আপনি শুধু Address বারে কি ওয়ার্ডটি টাইপ করবেন। তারপর কথা নাই বার্তা নাই এন্টার। ব্যাস, কাঙ্খিত ওয়েবসাইটটি লোড হয়ে যাবে। এর জন্য যে কোন একটি বুকমর্কের উপর রাইট ক্লিক করে প্রপারটিজে ক্লিক করুন। সেখানে বুকমার্ক বক্সটিতে নিজের ইচ্ছামত কি ওয়ার্ড বসিয়ে দিন। এখন আপনি Address বারে শুধু সেই কি ওয়ার্ডটিই টাইপ করবেন। এরপর এন্টার প্রেস করবেন।
এক ট্যাব থেকে অন্য ট্যাব :
যারা একটি ব্রাউজারে একসাথে অনেকগুলো ট্যাব চালু করি তাদের প্রায়ই ঘন ঘন ট্যাব পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। কাজটি মাউস দিয়ে সহজেই করা সম্ভব। যদি এই কাজটি দূততার সাধে করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই কিবোর্ড এ হাত দিতে হবে। আর এজন্য, আপনার শর্টকাট কী এর জ্ঞান থাকা চাই। আপনি যে ট্যাব এ আছেন তার পরবতীট্যাব এ গমনের জন্য Ctrl + Tab  প্রেস করুন। আর আগের ট্যাবটিতে ফিরে যাবার জন্য প্রেস করুন ctrl +shift++tab”  এখন ধরুন আপনি যে কোন একটি ট্যাব এ আছেন এবং “৬” নম্বর ট্যাব এ যেতে চান। এৰেত্রে ctrl+6  প্রেস করতে হবে।
ওয়েব পেজ দেখার স্থান:
অনেকেই ফায়ারফক্স এ বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে ইনস্টল করেন টুলবার। থাকে অনেক অনেক বুকমার্ক। ফলে ওয়েব পেজ দেখার জন্য যে স্থানটি রয়েছে সেটে সংকুচিত হয়ে যায়। মোটামুটি সাইজের একটি পেজ দেখতে গেলেও বারবার মাউস স্ক্রলিং করতে হয়। তাউ খুব বেশি প্রয়োজন না হলে আমি পাঠককে টুলবার ইন্সটল করতে নিরুৎসাহিত করে থাকি। এছাড়া ব্রাউজারের একদাম ওপরে যে মেনুটি রয়েছে তার পাশে ( যেখানে কোন বাটন বা লিংক নেউ) রাইট ক্লিক করে বুকমার্ক, মেইন মেনু ইত্যাদি আনমার্ক করে দিয়ে ওয়েব পেজ দেখার স্থান বৃদ্ধি করা যায়। এছাড়া রিলোড, স্টপ, ইত্যাদি আইকান সমূহ ছোট করেও কাজটি করা সম্ভব। আর এ জন্য ফায়ারফক্স এর মেইন মেনু থেকে ভিউতে যান। সেখান থেকে টুলবার > সাবমেনু > কাস্টমাইজ। এর পর Use small Icons  এ মার্ক করে Doneএ ক্লিক করুন।

পাইপলাইনিং পদ্ধতি ব্যবহার:
পাইপলাইনিং এমন একটি পদ্ধতি যাতে একই সাথে কোড, মিডিয়া ইত্যাদি লোড করা যায়। ফলে পেজটি দূততম লোডিং সম্ভব হয়। তবে এই পদ্ধতিটি ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যবহার কারীদের জন্য। এ পদ্বতিActive করতেAddress বারে about:config টাইপ করে এন্টার প্রেস করুন। ফিল্টার বক্স এ network.http টাইপ করম্নন, এখন নিচ থেকে এক এক করে ক্লিক করুন network.http.pipelining এবং network.http.proxy.pipelining এ দুটি অপশন true করে দিন (ডাবল ক্লিক করে ) network.http.pipelining.maxrequest এ ডাবল ক্লিক করে ভ্যালু ১০ সেট করে দিন (বা আপনার পছন্দ মত মান ব্যবহার করুন), এখন ফাঁকা স্থানে (যেখানে কোন বাটন বা লিংক নেই) ক্লিক করে new-integer সিলেক্ট করুন। নাম দিন nglayout.initialpaint.delay  এবাং ভ্যালু দিন জিরো হয়ে গেল পাইপলাইনিং
(বিঃ দ্রেঃ যে কোন পরিবর্তনের পর ব্রাউজারটি রিস্টার্ট করতে হবে)
কিছু প্রয়োজনীয় কিবোর্ড শটকার্ট
পাঠকের ফায়ারফক্স ব্রাউজিং অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে নীচে কিছু শটকার্ট তুলে ধরলাম:
নেভিগেশন বিষয়ক

  • ব্যাক ( পেছনের পেইজে যেতে) – Alt+ বাBack Space
  • ফরওয়ার্ড Alt+ বা Shift Back Space
  • হোমপেজ Alt+Home
  • রিলোড Fs বা Ctrl+R
  • স্টপ (স্টপ লোডিং পেজ – Esc
  • বর্তমান পেজবিষয়ক :
  • পেজের শেষ প্রান্তে – End
  • পেজের উপারের প্রান্তে -Home
  • পরবতী ফ্রেম -F6
  • পূর্বের ফ্রেম – Shift+F6
  • পেজ ইনেফো বিষয়ক:
  • পেজ উৎস – Ctrl +U
  • প্রিন্ট – Ctrl+P
  • সেভ পেজ অ্যাজ – Ctrl+S
  • জুম ইন – Ctrl++
  • জুম আউট – Ctrl+-
  • জুম রিসেট – Ctrl+O

সার্চ বিষয়ক :
  • ফাইন্ড (ইন পেজ ) – Ctrl+F
  • ওয়েব সার্চ – Ctrl+K, Ctrl+E
  • উইন্ডো এবং ট্যাব বিষয়ক
  • ক্লোজ ট্যাব – Ctrl+W, Ctrl+F4
  • ক্লোজ উইন্ডো – Ctrl+Shift+W, Alt+F4
  • ডান পাশের ট্যাব – Ctrl+
  • বাম পাশের ট্যাব – Ctrl+
  • সর্ব প্রথম ট্যাব – Ctrl+ Home
  • সর্ব শেষ ট্যাব – Ctrl+End
  • নতুন ট্যাব – Ctrl+T
  • নতুন উইন্ডো ট্যাব – Ctrl+N
  • আনডু ক্লোজ ট্যাব – Ctrl+Shift+T
  • আনডুক্লোজ উইন্ডো – Ctrl+Shift+N
টুলস :
  • বর্তমান পেজ বুকমার্ক করতে Ctrl+D
  • ডাউন লোডস – Ctrl+J
  • হিষ্ট্রি – Ctrl+H
অন্যান্য :
  • টগল ফুল স্ক্রীন – হেল্প -F1 সিলেক্ট লোকেশন বার F6 বা Ctrl+L.

কারো উপকারে লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।  আর ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দিষ্টিতে দেখবেন।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভালবাসাসহ আপনাদেরই টেক লাভার প্রিন্স। (মাহ মুদুল হাসান প্রিন্স)

ওয়েব সাইট অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর বিস্তারিত ধারনা এবং এর সম্পর্কে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আসসলামু আলাইকুম…. সুপ্রিয় আর্নট্রিক্সের বন্ধুগণ এটা আমার জীবনের প্রথম কোন বাংলা ব্লগে লেখা প্রথম পোস্ট কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি। আজ থেকে আপনাদের মাঝে অনলাইনে আয় অভিজ্ঞতা নিয়ে ধারাবাহিক পোস্ট শুরু করতে যাচ্ছি। ভালমন্দ বিচারের দায়িত্ব আপনার তবে অবশ্যই মন্তব্য করতে ভুলবেন না । অনেকেই এই সম্পর্কে জানেন , যারা জানেন না তাদের জন্য আমি এই পোস্টটি শেয়ার করছি। আজকাল অনেকেই উপার্জন এর কথা লিখে থাকে অ্যাফিলিয়েট দিয়ে। কিন্তু অ্যাফিলিয়েট কি এবং কি ভাবে করে সেটাই বলেনা যার কারনে অনেকেই এখনো অজ্ঞ।  প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কেননা ভুল ভ্রান্তি হতেই পারে…. আসুন তবে শুরু করা যাক।
ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন হচ্ছে এমন অনলাইন মার্কেটিং প্রসেস যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট কোন নামকরা কোম্পানির বিভিন্ন প্রডাক্টস নির্দিস্ট কমিশনের ভিত্তিতে বিক্রয় করে দেয়ার জন্য কাজ করে। এখানে ঐ ওয়েবসাইটটি উক্ত কোম্পানির বিভিন্ন প্রোডাক্টস এডস হিসাবে ইউজ করে এবং ভিজিটরদের পণ্য ক্রয় করার জন্য রেফারেল লিঙ্কের মাধ্যমে কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রেরন করে। এই রেফারেল লিঙ্কের মাধ্যমে কোন পণ্য বিক্রয় করলেই ওয়েবসাইটটি কমিশন পায়।  আর একেই আমরা বলতে পারি এফিলিয়েশন।
আমার অনলাইন গুরু ‘ তাহের চৌধুরী সুমন ’ ভাইয়া অ্যাফিলিয়েশন সম্পর্কে বলেন –
“ অনলাইনে আয়ের মাধ্যম গুলোর মধ্যে এক অনন্য ও বিশ্বস্ত নাম হচ্ছে অ্যাফিলিয়েশন। অনলাইন থেকে আয়ের বিভিন্ন ট্রেড গুলোর মধ্যে অন্যতম ই বলবো আমি। এখান থেকে আয়ের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সাধারণত বিভিন্ন ডিলার/পাইকার ব্যাবসায়ীকে দেখেছি যারা কোন নির্দিস্ট নাম করা কোম্পানির বিভিন্ন প্রডাক্টস কমিশনের (% আকারে) ভিত্তিতে বিক্রি করে দেয়। এইসব ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বিক্রয় করে দেয়ার শর্তে ডিলার/পাইকাররা কোম্পানি থেকে নির্দিস্ট মাত্রায় % হারে কমিশন নিয়ে থাকে।
অ্যাফিলিয়েশন হচ্ছে ঠিক এমনই একটি প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে কোন ওয়েবসাইট যারা নিজের ওয়েবসাইটে কোন কোম্পানির বিভিন প্রডাক্টস এডস হিসাবে ব্যবহারের মাধ্যমে ঐ কোম্পনিকে বিভিন্ন প্রডাক্টস অনলাইনে বিক্রয় করে দেয়ার শর্তে কমিশন ভিত্তিতে কাজ করে থাকে। এই সাইট থেকে রেফারেল হয়ে যদি কোম্পানির প্রডাক্টস কেউ ক্রয় করে তবে কোম্পানির তাদের দেয়া শর্ত অনুযায়ী তাকে % কমিশন দিতে বাধ্য থাকে। আর এটাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েশন। বর্তমানে সারা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন প্রোডাক্টস নিয়ে অফিলিয়েশন করতে দেখা যায় যেমন বিভিন্ন খেলার লাইভ ওয়াচ, মুভি লাইভ ওয়াচ, কলিং কার্ড, আরও বিভিন্ন নিত্য দিনের প্রডাক্টস।এটাকে আমরা এমন প্রোগ্রাম বলতে পারি যার প্ররোক্ষ মাধ্যমে ইন্টারনেটে বাজার পরিচালনা করা হয়। বর্তমানে ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন ইন্টারনেট মার্কেটিং কে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সাথে সাথে উন্মুক্ত করে দিয়েছে অনলাইনে আয়ের বিশাল এক সম্ভাবনাকে “
ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন সম্পর্কে আরও কিছু তথ্যঃ বিশ্বে ১৯৯০ সালের দিকে সর্ব প্রথম ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন প্রোগ্রাম চালু হয়। এখানে অ্যাফিলিয়েশন প্রোগ্রাম গুলোতে কোন একটি কোম্পানি তার পণ্যের বিজ্ঞাপন লিংক বা ব্যানার আকারে অন্য একটি ওয়েবসাইট এ এডস হিসাবে দিয়ে থাকে। এই ব্যানার এডের মাধ্যমে ঐ কোম্পানির পণ্যের যে পরিমান বিক্রয় হয়, তার ভিত্তিতে কোম্পানি ঐ ওয়েবসাইট কে তাদের নির্দিস্ট হারে কমিশন দিয়ে থাকে। কিন্তু এই কমিশন অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৭৫% Up to হয়। যা আসলেই খুবই ভালো একটা আয় হয়ে দাড়ায়। উদাহরণসরূপঃ clickbank.com যদি কোন ওয়েবসাইটে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে চায়। এখন clickbank.com এর রেফারেল ব্যানার সেই ওয়েবসাইটটি তাদের নিজস্ব পেজে দিল। যদি কোন ভিজিটর clickbank.com এর লিংক বা ব্যানারে ক্লিক করে এবং পণ্য ক্রয় করে তবে  সেক্ষেত্রে clickbank.com তাদের ঐ পণ্য বিক্রয় থেকে উক্ত ওয়েবসাইটটিকে % হারে কমিশন দেবে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের অফিলিয়েশন রয়েছে যেমন বিভিন্ন খেলার লাইভ ওয়াচ, মুভি লাইভ ওয়াচ, কলিং কার্ড, আরও বিভিন্ন নিত্য দিনের প্রডাক্টস।
আমরা হয়তো জানি যে ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশনে বিজ্ঞাপনদাতা কোম্পানিগুলো অনেক বেশি লাভবান হয়। তবে ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েট তৈরী করতে এবং পরিচালনা করতে অনেক পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়। প্রযুক্তি ও মার্কেট নিয়ে গবেযণকারী প্রতিষ্ঠান ফরেস্টার রিসার্চ-র মতে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কার্যকরী অনলাইন মার্কেটিং পদ্ধতি। তবে এটাও মানতে হবে যে এখানে হিউজ আয়ের একটা সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমি মনে করি যে অ্যাফিলিয়েশন বর্তমান সময়ে অনলাইন আয়ে বড় একটা পথ উন্মচন করছে।
এখানে কিছু এ্যাফিলিয়েট সাইট আছে যেখান থেকে আপনি ওদের এফিলিয়েট মেম্বার হিসাবে কাজ করতে পারবেন। আসুন দেখে নেই সাইট গুলো…
  • www.Amazn.com
  • www.marketbay.com
  • www.cj.com
  •  www.linkshare.com
  •  www.plimus.com
  • www.sellhealth.com
আজ আর নয়। আরও বিস্তারিত লিখবো নেক্সট পোষ্টে। কিভাবে এফিলিয়েশন কাজ টা শুরু করবেন, কিভাবে এ্যাফিলিয়েট সাইট গুলোতে একাউন্ট করবেন, কোন এ্যাফিলিয়েশন করলে ভালো আয় করা যাবে আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন বিষব নিয়ে। আর তাহের চৌধুরী সুমন ভাইয়ের প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক শ্রদ্ধা তিনি আমাকে তাঁর মুল্যবান সময় দিয়েছেন। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সবাই। কোন প্রশ্ন থাকলে মন্তব্যের ঘরে জানাবেন।

চলবে…