Tuesday, October 4, 2011

দক্ষতা বাড়ান মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারে

কেমন আছেন সবাই ?
আশা করি সবাই ভালই আছেন ?

আপনার প্রিয় ব্রাউজার কি আমার মত মজিলা ফায়ারফক্স ?  যদি উত্তর হয় হ্যাঁ তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্য।
আমি আজ শেয়ার করবো মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারের শর্টকাট উপায়। অনেকেই এই সম্পর্কে জানেন , যারা জানেন না তাদের জন্য আমি এই টিউনটি শেয়ার করছি।

Address বার এর সহজ ব্যবহার :
আমরা সাধারণত Address বার এ গিয়ে কোন একটি ওয়েবসাইটের Address লিখতে গিয়ে পুরো Address টা লিখি। যেমন ধরুন আপনি ফেসবুক এর পেজটি দেখতে চাচ্ছেন। Address বারে www.facebook.com লিখলেন। এন্টার প্রেস করলেন, চলে আসলো facebook এর লগইন পেজটি। আপনি চাইলে পুরো Address টি না লিখে শুথুমাত্র facebook লিখে Ctrl + Enter প্রেস করেই স্বার্থ সিদ্ধি করতে পারেন। তাহলে যেটা হবে এর আগে পরে যা কিছু থাকে আপনাকে তা টাইপ করতে হবে না। এক্ষেত্রে বলে রাখা দরকার যে ডোমেইন . com  হলে “Ctrl + Enter, .net হলে “Sheft + Enter এবং .org হলে Ctrl + Shift + Enter” প্রেস করতে হবে।
বুকমার্কে কি ওয়ার্ড এর ব্যবহার:
আপনি শুধু Address বারে কি ওয়ার্ডটি টাইপ করবেন। তারপর কথা নাই বার্তা নাই এন্টার। ব্যাস, কাঙ্খিত ওয়েবসাইটটি লোড হয়ে যাবে। এর জন্য যে কোন একটি বুকমর্কের উপর রাইট ক্লিক করে প্রপারটিজে ক্লিক করুন। সেখানে বুকমার্ক বক্সটিতে নিজের ইচ্ছামত কি ওয়ার্ড বসিয়ে দিন। এখন আপনি Address বারে শুধু সেই কি ওয়ার্ডটিই টাইপ করবেন। এরপর এন্টার প্রেস করবেন।
এক ট্যাব থেকে অন্য ট্যাব :
যারা একটি ব্রাউজারে একসাথে অনেকগুলো ট্যাব চালু করি তাদের প্রায়ই ঘন ঘন ট্যাব পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। কাজটি মাউস দিয়ে সহজেই করা সম্ভব। যদি এই কাজটি দূততার সাধে করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই কিবোর্ড এ হাত দিতে হবে। আর এজন্য, আপনার শর্টকাট কী এর জ্ঞান থাকা চাই। আপনি যে ট্যাব এ আছেন তার পরবতীট্যাব এ গমনের জন্য Ctrl + Tab  প্রেস করুন। আর আগের ট্যাবটিতে ফিরে যাবার জন্য প্রেস করুন ctrl +shift++tab”  এখন ধরুন আপনি যে কোন একটি ট্যাব এ আছেন এবং “৬” নম্বর ট্যাব এ যেতে চান। এৰেত্রে ctrl+6  প্রেস করতে হবে।
ওয়েব পেজ দেখার স্থান:
অনেকেই ফায়ারফক্স এ বিভিন্ন ওয়েব সাইট থেকে ইনস্টল করেন টুলবার। থাকে অনেক অনেক বুকমার্ক। ফলে ওয়েব পেজ দেখার জন্য যে স্থানটি রয়েছে সেটে সংকুচিত হয়ে যায়। মোটামুটি সাইজের একটি পেজ দেখতে গেলেও বারবার মাউস স্ক্রলিং করতে হয়। তাউ খুব বেশি প্রয়োজন না হলে আমি পাঠককে টুলবার ইন্সটল করতে নিরুৎসাহিত করে থাকি। এছাড়া ব্রাউজারের একদাম ওপরে যে মেনুটি রয়েছে তার পাশে ( যেখানে কোন বাটন বা লিংক নেউ) রাইট ক্লিক করে বুকমার্ক, মেইন মেনু ইত্যাদি আনমার্ক করে দিয়ে ওয়েব পেজ দেখার স্থান বৃদ্ধি করা যায়। এছাড়া রিলোড, স্টপ, ইত্যাদি আইকান সমূহ ছোট করেও কাজটি করা সম্ভব। আর এ জন্য ফায়ারফক্স এর মেইন মেনু থেকে ভিউতে যান। সেখান থেকে টুলবার > সাবমেনু > কাস্টমাইজ। এর পর Use small Icons  এ মার্ক করে Doneএ ক্লিক করুন।

পাইপলাইনিং পদ্ধতি ব্যবহার:
পাইপলাইনিং এমন একটি পদ্ধতি যাতে একই সাথে কোড, মিডিয়া ইত্যাদি লোড করা যায়। ফলে পেজটি দূততম লোডিং সম্ভব হয়। তবে এই পদ্ধতিটি ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যবহার কারীদের জন্য। এ পদ্বতিActive করতেAddress বারে about:config টাইপ করে এন্টার প্রেস করুন। ফিল্টার বক্স এ network.http টাইপ করম্নন, এখন নিচ থেকে এক এক করে ক্লিক করুন network.http.pipelining এবং network.http.proxy.pipelining এ দুটি অপশন true করে দিন (ডাবল ক্লিক করে ) network.http.pipelining.maxrequest এ ডাবল ক্লিক করে ভ্যালু ১০ সেট করে দিন (বা আপনার পছন্দ মত মান ব্যবহার করুন), এখন ফাঁকা স্থানে (যেখানে কোন বাটন বা লিংক নেই) ক্লিক করে new-integer সিলেক্ট করুন। নাম দিন nglayout.initialpaint.delay  এবাং ভ্যালু দিন জিরো হয়ে গেল পাইপলাইনিং
(বিঃ দ্রেঃ যে কোন পরিবর্তনের পর ব্রাউজারটি রিস্টার্ট করতে হবে)
কিছু প্রয়োজনীয় কিবোর্ড শটকার্ট
পাঠকের ফায়ারফক্স ব্রাউজিং অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে নীচে কিছু শটকার্ট তুলে ধরলাম:
নেভিগেশন বিষয়ক

  • ব্যাক ( পেছনের পেইজে যেতে) – Alt+ বাBack Space
  • ফরওয়ার্ড Alt+ বা Shift Back Space
  • হোমপেজ Alt+Home
  • রিলোড Fs বা Ctrl+R
  • স্টপ (স্টপ লোডিং পেজ – Esc
  • বর্তমান পেজবিষয়ক :
  • পেজের শেষ প্রান্তে – End
  • পেজের উপারের প্রান্তে -Home
  • পরবতী ফ্রেম -F6
  • পূর্বের ফ্রেম – Shift+F6
  • পেজ ইনেফো বিষয়ক:
  • পেজ উৎস – Ctrl +U
  • প্রিন্ট – Ctrl+P
  • সেভ পেজ অ্যাজ – Ctrl+S
  • জুম ইন – Ctrl++
  • জুম আউট – Ctrl+-
  • জুম রিসেট – Ctrl+O

সার্চ বিষয়ক :
  • ফাইন্ড (ইন পেজ ) – Ctrl+F
  • ওয়েব সার্চ – Ctrl+K, Ctrl+E
  • উইন্ডো এবং ট্যাব বিষয়ক
  • ক্লোজ ট্যাব – Ctrl+W, Ctrl+F4
  • ক্লোজ উইন্ডো – Ctrl+Shift+W, Alt+F4
  • ডান পাশের ট্যাব – Ctrl+
  • বাম পাশের ট্যাব – Ctrl+
  • সর্ব প্রথম ট্যাব – Ctrl+ Home
  • সর্ব শেষ ট্যাব – Ctrl+End
  • নতুন ট্যাব – Ctrl+T
  • নতুন উইন্ডো ট্যাব – Ctrl+N
  • আনডু ক্লোজ ট্যাব – Ctrl+Shift+T
  • আনডুক্লোজ উইন্ডো – Ctrl+Shift+N
টুলস :
  • বর্তমান পেজ বুকমার্ক করতে Ctrl+D
  • ডাউন লোডস – Ctrl+J
  • হিষ্ট্রি – Ctrl+H
অন্যান্য :
  • টগল ফুল স্ক্রীন – হেল্প -F1 সিলেক্ট লোকেশন বার F6 বা Ctrl+L.

কারো উপকারে লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।  আর ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দিষ্টিতে দেখবেন।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভালবাসাসহ আপনাদেরই টেক লাভার প্রিন্স। (মাহ মুদুল হাসান প্রিন্স)

ওয়েব সাইট অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর বিস্তারিত ধারনা এবং এর সম্পর্কে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আসসলামু আলাইকুম…. সুপ্রিয় আর্নট্রিক্সের বন্ধুগণ এটা আমার জীবনের প্রথম কোন বাংলা ব্লগে লেখা প্রথম পোস্ট কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালই আছি। আজ থেকে আপনাদের মাঝে অনলাইনে আয় অভিজ্ঞতা নিয়ে ধারাবাহিক পোস্ট শুরু করতে যাচ্ছি। ভালমন্দ বিচারের দায়িত্ব আপনার তবে অবশ্যই মন্তব্য করতে ভুলবেন না । অনেকেই এই সম্পর্কে জানেন , যারা জানেন না তাদের জন্য আমি এই পোস্টটি শেয়ার করছি। আজকাল অনেকেই উপার্জন এর কথা লিখে থাকে অ্যাফিলিয়েট দিয়ে। কিন্তু অ্যাফিলিয়েট কি এবং কি ভাবে করে সেটাই বলেনা যার কারনে অনেকেই এখনো অজ্ঞ।  প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কেননা ভুল ভ্রান্তি হতেই পারে…. আসুন তবে শুরু করা যাক।
ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন হচ্ছে এমন অনলাইন মার্কেটিং প্রসেস যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট কোন নামকরা কোম্পানির বিভিন্ন প্রডাক্টস নির্দিস্ট কমিশনের ভিত্তিতে বিক্রয় করে দেয়ার জন্য কাজ করে। এখানে ঐ ওয়েবসাইটটি উক্ত কোম্পানির বিভিন্ন প্রোডাক্টস এডস হিসাবে ইউজ করে এবং ভিজিটরদের পণ্য ক্রয় করার জন্য রেফারেল লিঙ্কের মাধ্যমে কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রেরন করে। এই রেফারেল লিঙ্কের মাধ্যমে কোন পণ্য বিক্রয় করলেই ওয়েবসাইটটি কমিশন পায়।  আর একেই আমরা বলতে পারি এফিলিয়েশন।
আমার অনলাইন গুরু ‘ তাহের চৌধুরী সুমন ’ ভাইয়া অ্যাফিলিয়েশন সম্পর্কে বলেন –
“ অনলাইনে আয়ের মাধ্যম গুলোর মধ্যে এক অনন্য ও বিশ্বস্ত নাম হচ্ছে অ্যাফিলিয়েশন। অনলাইন থেকে আয়ের বিভিন্ন ট্রেড গুলোর মধ্যে অন্যতম ই বলবো আমি। এখান থেকে আয়ের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সাধারণত বিভিন্ন ডিলার/পাইকার ব্যাবসায়ীকে দেখেছি যারা কোন নির্দিস্ট নাম করা কোম্পানির বিভিন্ন প্রডাক্টস কমিশনের (% আকারে) ভিত্তিতে বিক্রি করে দেয়। এইসব ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বিক্রয় করে দেয়ার শর্তে ডিলার/পাইকাররা কোম্পানি থেকে নির্দিস্ট মাত্রায় % হারে কমিশন নিয়ে থাকে।
অ্যাফিলিয়েশন হচ্ছে ঠিক এমনই একটি প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে কোন ওয়েবসাইট যারা নিজের ওয়েবসাইটে কোন কোম্পানির বিভিন প্রডাক্টস এডস হিসাবে ব্যবহারের মাধ্যমে ঐ কোম্পনিকে বিভিন্ন প্রডাক্টস অনলাইনে বিক্রয় করে দেয়ার শর্তে কমিশন ভিত্তিতে কাজ করে থাকে। এই সাইট থেকে রেফারেল হয়ে যদি কোম্পানির প্রডাক্টস কেউ ক্রয় করে তবে কোম্পানির তাদের দেয়া শর্ত অনুযায়ী তাকে % কমিশন দিতে বাধ্য থাকে। আর এটাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েশন। বর্তমানে সারা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন প্রোডাক্টস নিয়ে অফিলিয়েশন করতে দেখা যায় যেমন বিভিন্ন খেলার লাইভ ওয়াচ, মুভি লাইভ ওয়াচ, কলিং কার্ড, আরও বিভিন্ন নিত্য দিনের প্রডাক্টস।এটাকে আমরা এমন প্রোগ্রাম বলতে পারি যার প্ররোক্ষ মাধ্যমে ইন্টারনেটে বাজার পরিচালনা করা হয়। বর্তমানে ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন ইন্টারনেট মার্কেটিং কে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সাথে সাথে উন্মুক্ত করে দিয়েছে অনলাইনে আয়ের বিশাল এক সম্ভাবনাকে “
ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন সম্পর্কে আরও কিছু তথ্যঃ বিশ্বে ১৯৯০ সালের দিকে সর্ব প্রথম ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন প্রোগ্রাম চালু হয়। এখানে অ্যাফিলিয়েশন প্রোগ্রাম গুলোতে কোন একটি কোম্পানি তার পণ্যের বিজ্ঞাপন লিংক বা ব্যানার আকারে অন্য একটি ওয়েবসাইট এ এডস হিসাবে দিয়ে থাকে। এই ব্যানার এডের মাধ্যমে ঐ কোম্পানির পণ্যের যে পরিমান বিক্রয় হয়, তার ভিত্তিতে কোম্পানি ঐ ওয়েবসাইট কে তাদের নির্দিস্ট হারে কমিশন দিয়ে থাকে। কিন্তু এই কমিশন অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৭৫% Up to হয়। যা আসলেই খুবই ভালো একটা আয় হয়ে দাড়ায়। উদাহরণসরূপঃ clickbank.com যদি কোন ওয়েবসাইটে তাদের বিজ্ঞাপন দিতে চায়। এখন clickbank.com এর রেফারেল ব্যানার সেই ওয়েবসাইটটি তাদের নিজস্ব পেজে দিল। যদি কোন ভিজিটর clickbank.com এর লিংক বা ব্যানারে ক্লিক করে এবং পণ্য ক্রয় করে তবে  সেক্ষেত্রে clickbank.com তাদের ঐ পণ্য বিক্রয় থেকে উক্ত ওয়েবসাইটটিকে % হারে কমিশন দেবে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের অফিলিয়েশন রয়েছে যেমন বিভিন্ন খেলার লাইভ ওয়াচ, মুভি লাইভ ওয়াচ, কলিং কার্ড, আরও বিভিন্ন নিত্য দিনের প্রডাক্টস।
আমরা হয়তো জানি যে ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশনে বিজ্ঞাপনদাতা কোম্পানিগুলো অনেক বেশি লাভবান হয়। তবে ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েট তৈরী করতে এবং পরিচালনা করতে অনেক পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়। প্রযুক্তি ও মার্কেট নিয়ে গবেযণকারী প্রতিষ্ঠান ফরেস্টার রিসার্চ-র মতে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কার্যকরী অনলাইন মার্কেটিং পদ্ধতি। তবে এটাও মানতে হবে যে এখানে হিউজ আয়ের একটা সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আমি মনে করি যে অ্যাফিলিয়েশন বর্তমান সময়ে অনলাইন আয়ে বড় একটা পথ উন্মচন করছে।
এখানে কিছু এ্যাফিলিয়েট সাইট আছে যেখান থেকে আপনি ওদের এফিলিয়েট মেম্বার হিসাবে কাজ করতে পারবেন। আসুন দেখে নেই সাইট গুলো…
  • www.Amazn.com
  • www.marketbay.com
  • www.cj.com
  •  www.linkshare.com
  •  www.plimus.com
  • www.sellhealth.com
আজ আর নয়। আরও বিস্তারিত লিখবো নেক্সট পোষ্টে। কিভাবে এফিলিয়েশন কাজ টা শুরু করবেন, কিভাবে এ্যাফিলিয়েট সাইট গুলোতে একাউন্ট করবেন, কোন এ্যাফিলিয়েশন করলে ভালো আয় করা যাবে আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন বিষব নিয়ে। আর তাহের চৌধুরী সুমন ভাইয়ের প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক শ্রদ্ধা তিনি আমাকে তাঁর মুল্যবান সময় দিয়েছেন। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সবাই। কোন প্রশ্ন থাকলে মন্তব্যের ঘরে জানাবেন।

চলবে…